সর্বশেষ খবর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমিতে যুদ্ধকালীন মর্টার শেল উদ্ধার

 

এস,এম জাহাঙ্গীর 

(রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি)



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বধ্যভূমির পাশে যুদ্ধকালীন সময়ের মর্টার শেল পাওয়া গেছে।মঙ্গলবার সকালে খননকৃত পুকুর থেকে মাটি তুলতে গিয়ে এক শ্রমিক মর্টার শেলটি পেয়ে পাশেই অবস্থিত বধ্যভূমির পাহারায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের কাছে নিয়ে আসেন। পরে পুলিশের সদস্যরা র‌্যাব ফোন করলে র‌্যাবের দল এসে তা ঘিরে দেয়।


রাজশাহী র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান তালুকদার জানান, মর্টার শেলটি যুদ্ধকালীন সময়ে। যেহেতু বধ্যভূমির পাশেই শহীদ শামসুজ্জোহা হলে পাক হানাদারদের ক্যাম্প ছিলো। সেখান থেকেই ধারণা করা হচ্ছে, মর্টার শেলটি যুদ্ধকালীন সময়ের।মর্টার শেলটি তাজা না নিষ্ক্রিয় তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঢাকার বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা আজকের মধ্যে পৌঁছালে কাল সকালের মধ্যে মর্টার শেলটি পরীক্ষা করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

এমপি এনামুল হকের সুপরামর্শে নরদাশ ইউপিঃকৃষকলীগের মাস্ক বিতারণ


স্টাফ রিপোর্টারঃ




রাজশাহী জেলা বাগমারা হুলিখালী বাঁধের হাট। সভাপতি বাগমারা কৃষক লীগ। বাগমারার জনপ্রিয় জননেতা সফল এম পি জনাব ইঞ্জিঃ এনামুল হকের সুপরামর্শে এবং বাগমারা কৃষক লীগের উদ্যোগে নরদাশ ইউনিয়নের বাঁধের হাটে করোনা মুক্ত থাকার আহব্বান ও সচেতনতা বৃদ্ধি  জনগনের মাঝে মাস্ক বিতরন করা হয়। 


উপস্হিত ছিলেন।

অত্র ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের কৃষক লীগ সভাপতি / সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা কৃষক লীগ সহ সভাপতি জনাব গিয়াস উদ্দীন সহ আরো নেতৃবৃন্দ।


মোঃ এমদাদুল হক সভাপতি বাংলাদেশ কৃষক লীগ বাগমারা উপজেলা শাখা তিনি বলেন সবাই সাবধানে থাকি আমাদের এলাকা ভালো রাখি।  করোনা পরিস্থিতি ও করোনা দুঃসময়ে সচেতন সচেতনতা বৃদ্ধিসহ নানা রকম পদক্ষেপ ও সামাজিক দুরন্ত বজায় রাখা উচিত সবার। সরকারের দেওয়ার লগডাউন ও প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিয়ে না যাওয়া সহ সরকারে বিধিনিষেধ মেনে চলি  করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করি।

১৩ নং গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে নিয়ে কবিতা


কবিতাঃআলমগীর সরকার।

লেখকঃ ইব্রাহিম হোসেন।


আমার নেতা, শ্রেষ্ঠ নেতা আলমগীর সরকার,

অভিভাবক তিনি গোয়ালকান্দি ইউপির।

সমাজসেবক, জনদরদি, বাড়ি রামরামা, 

তার জেলাটা রাজশাহী, থানা বাগমারা।

জ্ঞানে,গুণে শ্রেষ্ঠ তিনি, তিনি মহান নেতা ,

তিনিই গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের  শ্রেষ্ঠ জনক পিতা।

মানব দুখে অশ্রু ঝরে, ঝরে চোখের পানি ,

এমন নেতা কোথাও খুঁজে পাবো নাকো জানি।

শ্রেষ্ঠ নেতার অবদানের নেই যে তুলনা,

দেখলে তারে মনের মাঝে জাগে অনুপ্রেরণা।

ধন্য  গোয়ালকান্দি এলাকাবাসী,

শ্রেষ্ঠ নেতা পেয়ে চোখে স্বপ্ন রাশি রাশি। 

মনের সুখে নাও ভাসিয়ে গায় মাঝিরা গান,

জয় বাংলা শ্লোগানে সবার মুখরিত প্রাণ ।

আমার নেতার,তোমার নেতার, শ্রেষ্ঠ অবদান,

 গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের উন্নয়নের মান। 

ধনী, গরিব,হিন্দু,মুসলিম আমরা সবাই খুশি,

সারাজীবন বাজুক মনে এমন সুখের বাঁশি।

এমন নেতার তরে মোরা তুলি দুটি হাত,

শুভ যাত্রা পথে শত্রু  যেন হয় কুপোকাত ।

ডাবের পানির উপকারিতা

 টাইমস ডেক্সঃ

ডাবের পানির উপকারিতা সমূহঃ 



১। দেহে ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব হলে এবং বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ হলে ডাক্তার ডাবের পানি পান করার পরামর্শ দেন৷ কারণ ডায়রিয়া বা কলেরা রোগীদের ঘনঘন পাতলা পায়খানা ও বমি হলে দেহে প্রচুর পানি ও খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা যায়৷ এই ঘাটতি ডাবের পানি অনেকাংশেই পূরণ করতে পারে৷


২।মানুষের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরের ভেতরের শক্তি এতটা বৃদ্ধি পায় যে জীবাণুরা কোনওভাবেই ক্ষতি করার সুযোগ পায় না।


৩। ডাবের পানিতে খনিজ লবণ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতিও উচ্চমাত্রায়। এসব খনিজ লবণ দাঁতের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। দাঁতের মাড়িকে করে মজবুত। অনেকের দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে। মাড়ি কালচে লাল হয়ে যায়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ দেবে খনিজ লবণ।


৪। এই গরমে ছোট-বড় সবারই দেহের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এতে ত্বকে ফুটে ওঠে লালচে কালো ভাব। ডাবের পানি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমিয়ে শরীরকে রাখে ঠাণ্ডা। তারুণ্য ধরে রাখতে এর অবদান অপরিহার্য। ডাবের পানি যেকোনো কোমল পানীয় থেকে অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ। কারণ, এটি সৌন্দর্যচর্চার প্রাকৃতিক মাধ্যম ও চর্বিবিহীন পানীয়। ডাবের পানি মিষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী। 


৫। মুখে জলবসন্তের দাগসহ বিভিন্ন ছোটছোট দাগের জন্য সকালবেলা ডাবের পানি দিলে দাগ মুছে যায় এবং মুখের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা বাড়ে৷ গ্লুকোজ স্যালাইন হিসেবেও ডাবের পানি ব্যবহৃত হয়৷ ডাবের পানিতে উল্লেখযোগ্য কোনো পুষ্টি না থাকলেও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী৷


৬। ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।


৭। ডাবের পানি রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।


বি.দ্র. রমজানে ইফতারে প্রতিদিন একটু করে ডাবের পানি পান করা বেশ উপকারী।

লকডাউন’ বাড়ছে আরো ১ সপ্তাহ


অনলাইন ডেক্সসঃ


করোনা ভাইরাস সংক্রমণে রোধে বিদ্যমান বিধি-নিষেধ বা ‘লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহ তা কার্যকর থাকবে।


    

সোমবার (২৬ এপ্রিল) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে চলমান বিধি-নিষেধ বা ‘লকডাউন’ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল (মঙ্গলবার) প্রজ্ঞাপন হতে পারে।


তিনি আরও জানান, বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে চলমান বিধি-নিষেধ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসময় দোকানপাট ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত চালু থাকবে।


 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, করোনা সংক্রমণে মৃত্যু বাড়ার কারণে ২৯ এপ্রিল থেকে আগামী ৫ মে মধ্যরাত পর্যন্ত নতুন করে বিধি-নিষেধ দেওয়া হবে।

 

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হলে অফিস-আদালত, গণপরিবহন এবং দোকানপাট ও শপিংমলমল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক নির্দেশনায় ২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট এবং শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

 

এর আগে গত ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা পর্যন্ত লকডাউন ছিল। তবে গণপরিবহন, মার্কেট খোলা রেখে এই লকডাউন ছিল অনেকটাই অকার্যকর। পরে ১৪ এপ্রিল থেকে গণপরিবহন, দোকানপাট এবং মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে লকডাউন দেওয়া হয়।

 

গত বছর ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৮ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতষ্ঠান বন্ধ এবং ২৬ মার্চ থেকে সব অফিস-আদালতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। এই সময়ে গণপরিবহনও বন্ধ রাখা হয়েছিল। ৬৬ দিন পর সাধারণ ছুটি শেষ হলেও একবছর গড়িয়ে এখনও বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম চালু রেখেছে।

রাজশাহীতে তাপমাত্রা আবারও বাড়তে শুরু করেছে, আবারও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভবনা

 এস,এম জাহাঙ্গীর (নিজস্ব প্রতিবেদক) 

রাজশাহীতে তাপমাত্রা আবারও বাড়তে শুরু করেছে, আবারও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভবনা ।


দুই দিন স্বাভাবিক থাকার পর আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে রাজশাহীর তাপমাত্রা।  গত শনিবার থার্মোমিটারের পারদ উঠেছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে যা পূর্বের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়েছিল।   চলমান এ তাপপ্রবাহ আরও মাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বিস্তৃত হতে পারে। আজও রাজশাহীর তাপমাত্রা ৩৮-৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রয়েছে। রাজশাহীতে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। 


রাজশাহী আবহাওয়া অধিদফতর আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসের বিষয়ে জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এই অবস্থায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাজশাহী বিভাগসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।


পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এসময় ঢাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিমি থাকবে। এছাড়া রোববার দেশে বেশ কিছু জায়গায় ৩৯ ডিগ্রি বা তার বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।


রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মো. রহিদুল ইসলাম জানান, রোববার আবহাওয়া সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা রয়েছে বলে জানিয়েছে রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের এই কর্মকর্তা।

ধান কাটা ও মারাই কাজে ব্যস্ত বাগমারার কৃষকেরা

 



এইচ এম শাহাদত (স্টাফ রিপোর্টার)


দেশের সর্বাধিক চাল উৎপাদন খ্যাত উত্তরের জেলা রাজশাহী  বাগমারায়  শুরু হয়েছে বোরোধান কাটার উৎসব।

বছরের প্রথম বৃষ্টি না থাকার কারনে কৃষকেরা অতি অনন্দের সাথে ধান কাটা ও মারাই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে।


 উপজেলার গোয়ালকান্দী, হামিরকুৎসা,মারিয়া, যুগি পড়া, বাসুপাড়া ও ঝিকরা  ইউনিয়নের বেশ কিছু জমিতে আগাম রোপণকৃত বোরোধান কেটে ঘরে তুলতে শুরু করেছে স্থানীয় কৃষকরা। 

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে প্রায় ১০ হাজার ৯৩০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপন করা হয়েছে যা গত মৌসুমের চেয়ে ২৪০ হেক্টর বেশি। 

এই মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল হীরাতেজ, হাইব্রিড, ব্রি ধান -২৮ ও জিরাশাইল জাতের ধান বেশি রোপণ করা হয়েছে বলে জানান উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর। 

এ ব্যপারে উপজেলার গোয়ালকান্দী ইউনিয়নের জসেরবিলের বেশ কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলল্লে তারা 'বাগমারা টাইমস' এর প্রতিনিধি কে  তারা জানন, অনুকূল আবহাওয়া, সঠিক সেচ ব্যবস্থা এবং আগাম ধানের চারা রোপণ করা সত্বেও কোন কীটপতঙ্গের আক্রমণ না থাকায়, অধিক ভালল ফলন আশা করছেন তারা। গোয়ালকান্দী ইউনিয়ন  কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আঃ মজিদ বি.এস জানান, গোয়ালকান্দী ইউনিয়নের নিচু অঞ্চলগুলোতে আগাম রোপণকৃত বোরোধান কাটার কাজ শুরু হয়েছে।

এই মৌসুমে কৃষকের ধানের ফলন ভালো হওয়ায় এবং বর্তমানে আবহাওয়া ভালো থাকায় কৃষকেরা অনেক আনন্দের সাথে ধান কাটা ও মারাই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।