সর্বশেষ খবর

বাগমারায় পুকুর খনন বেড়েই চলেছে

 

(আশিক ইসলাম) স্টাফ  রিপোটারঃ

রাজশাহীর বাগমারায় আবাদি জমি নষ্ট করে কিছু অসাধু ঠিকাদাররা পুকুর  খনন করছে।বাগমারার আউচপাড়া ইউনিয়নের মুগাইপাড়াও কবিরাজপাড়া বিলে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যাই সেখানে পুকুর খনন করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর চোখ ফাঁকি  দিয়ে দিন ও রাতের আধারে পুকুর খনন করা হচ্ছে।




জমিগুলো উর্বর ও অনেক শস্য উৎপাদন হয়। সেখানে বছরে দুই তিন বার ফসল হয়। অনেক বেকারদের কর্মসংস্থান হয়। আরও অনেক  গরীবরা ফসল কুড়িয়ে জীবনধারন করে । 



নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জমির মালিক  বলেন  তাদের থেকে  পুকুর খনন না  করার শর্তে স্টাম্প কাগজে সহি নিলেও তা বদলে ফেলে এখন সেখানে বড় বড় আইল বেধে পুকুর/ দিঘি খনন করা হচ্ছে। তারা অভিযোগ করে বলেন  তাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে তাদের সাথে প্রতারনা করা হয়েছে।তারা( ইউএনও) স্যারের সহযোগিতা কামনা করি।

মার্কেটে মার্কেটে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন পুলিশ কমিশনার

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ




বিভিন্ন মার্কেটে গিয়ে করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক।


রোববার (০২ মে) নগরীর আরডিএ মার্কেট ও নিউমার্কেটসহ শহরের আরও কয়েকটি বিপনিবিতানে যান পুলিশ কমিশনার।


 

এ সময় তিনি দোকান মালিক ও ক্রেতাদের অবশ্যই মাস্ক পরিধান এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য আহবান জানান। যাদেরে মুখে মাস্ক ছিল না, পুলিশ কমিশনার তাঁদের একটি করে মাস্কও দিয়েছেন। এ সময় তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেছেন, ঈদের বাজার চলা পর্যন্ত তিনি মাঝে মাঝেই বিপনিবিতানে যাবেন। পরেরবার মাস্ক না পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ সময় আরএমপির বোয়ালিয়া জোনের উপকমিশনার সাজিদ হোসেন, সহকারী কমিশনার ফারজিনা নাসরিন, বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারন চন্দ্র বর্মন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খুব সহজেই বাসার বারান্দায় বা ছাদবাগানেই করুন তরমুজ চাষ | বাগমারা-টাইমস

 


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 তরমুজ গ্রীষ্মকালীন একটি জনপ্রিয় ফল। গরমে তরমুজ দেহ ও মনে শুধু প্রশান্তিই আনে না এর পুষ্টি ও ভেষজগুণ রয়েছে অনেক। প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান রয়েছে তরমুজে। রাতকানা, কোষ্ঠ-কাঠিন্য, অন্ত্রীয় ক্ষত, রক্তচাপ, কিডনিসহ নানা ধরনের অসুখ প্রতিরোধ করে। গরমের দিনে ঘামের সাথে প্রচুর লবণ ও পানি বেরিয়ে যায়। তরমুজে প্রায় ৯৬ ভাগই পানি এবং প্রচুর খনিজ লবণ থাকায় দেহে লবণ ও পানির ঘাটতি পূরণ করে। আসুন, আমরা জেনে নেই কীভাবে এই উপকারী ফলটি চাষ করতে হয়।

এবার চলুন জেনে নিই সেই উপায় গুলো কি এবং উপায় গুলোর মাধ্যমে তরমুজ চাষের আদ্যোপান্ত।


বাসার বারান্দায় বা ছাদে এমন একটি স্থান বেছে নিন যেখানে প্রচুর আলো বাতাস পায়।

টব।

চাষের জন্য টব বা প্লাস্টিক অথবা কাঠের কনটেইনারও ব্যবহার করা যায়। মাঝারি সাইজের একটি টব বেছে নিন। প্লাস্টিকের বালতিতেও করতে পারেন।

মাঝারি আকৃতির টবে ৪টি গাছের চাষ করা সম্ভব। মূলত টবের মধ্যে গাছ থাকবে, কিন্তু তরমুজ টবের পাশের ফ্লোরে বিছানো অবস্থায় থাকবে।

খুব সহজেই বাসার বারান্দায় বা ছাদবাগানেই করুন তরমুজ চাষ 


 তরমুজ গ্রীষ্মকালীন একটি জনপ্রিয় ফল। গরমে তরমুজ দেহ ও মনে শুধু প্রশান্তিই আনে না এর পুষ্টি ও ভেষজগুণ রয়েছে অনেক। প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান রয়েছে তরমুজে। রাতকানা, কোষ্ঠ-কাঠিন্য, অন্ত্রীয় ক্ষত, রক্তচাপ, কিডনিসহ নানা ধরনের অসুখ প্রতিরোধ করে। গরমের দিনে ঘামের সাথে প্রচুর লবণ ও পানি বেরিয়ে যায়। তরমুজে প্রায় ৯৬ ভাগই পানি এবং প্রচুর খনিজ লবণ থাকায় দেহে লবণ ও পানির ঘাটতি পূরণ করে। আসুন, আমরা জেনে নেই কীভাবে এই উপকারী ফলটি চাষ করতে হয়।

এবার চলুন জেনে নিই সেই উপায় গুলো কি এবং উপায় গুলোর মাধ্যমে তরমুজ চাষের আদ্যোপান্ত।

স্থান নির্ধারণ

বাসার বারান্দায় বা ছাদে এমন একটি স্থান বেছে নিন যেখানে প্রচুর আলো বাতাস পায়।

টব

চাষের জন্য টব বা প্লাস্টিক অথবা কাঠের কনটেইনারও ব্যবহার করা যায়। মাঝারি সাইজের একটি টব বেছে নিন। প্লাস্টিকের বালতিতেও করতে পারেন।

মাঝারি আকৃতির টবে ৪টি গাছের চাষ করা সম্ভব। মূলত টবের মধ্যে গাছ থাকবে, কিন্তু তরমুজ টবের পাশের ফ্লোরে বিছানো অবস্থায় থাকবে।

মাটি প্রস্তুতঃ

দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ মাটি সব চাইতে উপযোগী৷ মাটিতে প্রচুর জৈব সার থাকতে হয়। এক ভাগ মাটি ও এক ভাগ জৈব সার নিয়ে ভালোভাবে ঝুরা করে মিশিয়ে নিন। মাটি খুব শুকনো হলে একটু পানি দিয়ে ভিজিয়ে মেশান।বীজ প্রস্তুত

শীতকালে খুব ঠান্ডা থাকলে বীজ ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত পানিতে ভিজিয়ে রেখে মাটির পাত্রে রক্ষিত বালির ভেতরে রেখে দিলে ২-৩ দিনের মধ্যেই বীজ অঙ্কুরোদ্গম হয়। বীজের অঙ্কুরোদ্গম দেখা দিলেই ওই বীজ বীজতলায় স্থানান্তরিত করা উচিত।

বীজ রোপণঃ

ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত সময় হলো তরমুজ চাষের জন্য উপযুক্ত। বীজ রোপণের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম পক্ষ সর্বোত্তম। শীতের শেষে মধ্য ফেব্রুয়ারি বীজ বপন করা যায়।

বিশেষ করে প্লাস্টিকে কন্টেইনার ব্যবহার করলে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়া জন্য আগেই কন্টেইনারটিতে কয়েকটি ছোট ছিদ্র করে নিতে পারেন।বীজ বপনের পর অঙ্কুরোদ্গমের জন্য একটি হালকা পানি দেয়া দরকার এবং পরবর্তী সময়ে পানির অভাব হলে ৮-১০ দিন পরপর অবস্থা বুঝে পানি দিতে হবে। শুকনো মৌসুমে সেচ দেয়া খুবই প্রয়োজন। গাছের গোড়ায় যাতে পানি লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ফুল উৎপাদন ও ফল বড় হওয়ার সময় জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ আদ্রতা থাকতে হবে। তরমুজের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অঙ্গজ বৃদ্ধি পর্যায়, ফুল উৎপাদন ও ফল বড় হওয়ার সময় অবশ্যই পানি দিতে হবে। এ সময় আদ্রতার অভাব হলে ফলন ও ফলের গুণগত মান বিনষ্ট হতে পারে।প্রত্যেকটি গাছে চারটি শাখা রেখে বাকিগুলো কেটে দিতে হবে। গাছের শাখার মাঝখানের গিটে যে ফল হয় সেটি রাখতে হয়। চারটি শাখায় চারটি ফলই যথেষ্ট। সকাল বেলা স্ত্রী ও পুরুষ ফুল ফোটার সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রী ফুলকে পুরুষ ফুল দিয়ে পরাগায়িত করে দিলে ফলন ভালো হয়।

ফসল উত্তলনঃ

জাত ও আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে তরমুজ পাকে। সাধারণত ফল পাকতে বীজ বোনার পর থেকে ৮০-১১০ দিন সময় লাগে। তরমুজের ফল পাকার সঠিক সময় নির্নয় করা একটু কঠিন। কারণ অধিকাংশ ফলে পাকার সময় কোনো বাহ্যিক লক্ষণ দেখা যায় না। তবে নীচের লক্ষণগুলো দেখে তরমুজ পাকা কি না তা অনেকটা অনুমান করা যায়।

ফলের বোঁটার সঙ্গে যে আকর্শি থাকে তা শুকিয়ে বাদামি রং হয়।খোসার উপরে সূক্ষ লোমগুলো মরে পড়ে গিয়ে তরমুজের খোসা চকচকে হয়।তরমুজের যে অংশটি মাটির ওপর লেগে থাকে তা সবুজ থেকে উজ্জল হলুদ রংঙের হয়ে ওঠে।তরমুজের শাঁস লাল টকটকে হয়।আঙ্গুল দিয়ে টোকা দিলে যদি ড্যাব ড্যাব শব্দ হয় তবে বুঝতে হবে যে ফল পরিপক্কতা লাভ করেছে। অপরিপক্ব ফলের বেলায় শব্দ হবে অনেকটা ধাতবীয়।

হাইড্রোপনিক উপায়ে মাটি ছাড়া শুধুমাত্র পানিতেই তরমুজ চাষ করা সম্ভব। বিস্ময়কর হলেও সত্যি যে, এই পদ্ধতিতে তরমুজের ফলন খুবই ভালো হয়। গাছ দ্রুত বড় হয় কারণ মূল পানি থেকে সরাসরি পুষ্টি উপাদান গুলো গ্রহণ করতে পারে। তরমুজ চাষ করার জন্য হাইড্রোপনিক একটি সময়োপযোগী পদ্ধতি।

প্রস্তুত প্রণালী:

ক) হাইড্রোপনিক মিশ্রন তৈরি করতে ১ চা চামচ ইপসম লবণ ও ২ চা চামচ পানিতে মিশে যায় এমন ধরনের সার নিতে হবে।১ গ্যালন পানিতে এগুলো ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর একটি বড় প্লাস্টিকের পাত্র এ ঢেলে নিন। মিশ্রনের পিএইচ লেভেল ৫.৫-৬.৫ এর মধ্যে রাখতে হবে।

খ) এই পদ্ধতিতে যেহেতু মাটি ব্যবহার করা হয় না সেহেতু গাছের মূলকে সঠিক ভাবে রাখতে কিছু নিস্ক্রিয় মাধ্যম যেমন:পারলাইট(মার্বেল পাথরের টুকরো), রকউল, মাটির বড়ি, পিট শৈবাল ভার্মিকুলেট ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

গ) জালি দিয়ে ভাল করে গাছটি জড়িয়ে দিতে হবে।

ঘ) মটরের সাহায্যে পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

ঙ) হাইড্রপনিক মিশ্রনটি প্রতি দুই/তিন সপ্তাহ পর পর নিস্কাশনের মাধ্যমে বদলাতে হবে।


সুত্রেঃকৃষি শিক্ষা নবম-দশম শ্রেনি

বাগমারা সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা ভবনের প্রথম তলার ছাদ ঠালাইয়ের শুভ উদ্বোধন



স্টাফ রিপোর্টারঃ


আজ সকাল ৯ ঘটিয়া রাজশাহী বাগমারা তাহেরপুর পৌরসভার সুলতানপুর গ্রামে অবস্থিত সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা ভবনের প্রথম তলার ছাদ ঠালাই শুভ উদ্বোধন করেন শিক্ষা প্রকাশক ইন্জিনিয়ার মোঃ মিজানুর রহমান ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ  জাহাঙ্গীর রহমান। 


দীর্ঘ দিনের অপেক্ষার পর বিদ্যালয়ের কাজ শুরু হয়েছে  বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন উন্নতির কথা ভেবে আধুনিক সুন্দর মনোরম পরিবেশ হিসাবে তৈরি হবে সুলতানপুর উদ্বোধন স্কুলটি। শিক্ষার প্রচার ক্ষেত্রে বিরাট ভুমিকা  পালন করবে বলে মনে করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। 


এই সময় উপস্থিত ছিলেন



ইন্জিনিয়ার মোঃ মিজানুর রহমান বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর সকল শিক্ষকবৃন্দ ও এলাকায় সম্মানিত ব্যাক্তিগন।

ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে নিরাপদ ও বালাইমুক্ত আম উৎপাদনের শুভ উদ্বোধন

 


স্টাফ রিপোর্টারঃ




উৎপাদনে কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন রাসিক মেয়র রাজশাহীতে নিরাপদ ও বালাইমুক্ত আম উৎপাদনে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে সেনানিবাসের পাশে ৫ বিঘার একটি আমবাগনে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতির উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি কর্পোশেনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।


এ সময় সিটি মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, রাজশাহীর আম ইউরোপ সহ বাইরে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে, এটি আমাদের জন্য অত্যান্ত সুখবর। রাজশাহী কৃষি প্রধান অঞ্চল। এ অঞ্চলে কৃষি পণ্য ভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হলে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে ও অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।


উদ্বোধনকালে রাজশাহী এগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক, সহ-সভাপতি ডা. আব্দুল খালেক সহ সংগঠনটির সদস্য ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


রাজশাহী এগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। আম বিদেশে রপ্তানি করতে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম উৎপাদন করতে হয়।  ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য সহ বিভিন্ন দেশে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম রপ্তানি করা হয়। ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে উৎপাদিত আম নিরাপদ ও বালাইমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত। এই প্রদ্ধতিতে উৎপাদিত আমের চাহিদা দেশেও আছে। ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে চলতি বছর আমরা ৩০০ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা র্নিধারণ করেছি। এরমধ্যে অধিকাংশ আম বিদেশে রপ্তানি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাগমারায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় শুরু



স্টাফ রিপোর্টারঃ



নিজের খামারের ডিম বিক্রি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন রাজশাহীর বাগমারার পোল্ট্রি খামারি সাগর আহম্মেদ (৩০)। গত বছর করোনাকালে  আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়ে ছিলেন তিনি। সে আশংকা করেছিলেন এবারো। তবে সেটা কেটে গেছে এবার উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয়কেন্দ্রের কারণে। তাঁরা ন্যায্যদামে কিনে নিচ্ছেন ডিম।


শুধু সাগর আহম্মেদ নন, তাঁর মতো অনেক দুধ বিক্রেতাও এবার করোনাকালে চিন্তামুক্ত হয়েছেন।


প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভ্রাম্যমান দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রিকেন্দ্রের কারণে ক্রেতারাও রক্ষা পাচ্ছেন বাড়তি দাম থেকে। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় এই কার্যক্রম সাড়া ফেলেছে।


 



উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, করোনাকালে লোকজনের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিত করার জন্য ভ্রাম্যমান দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়। গত ১১ এপ্রিল উপজেলায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এরপর থেকে ট্রাক ও ইজিবাইকে করে শুরু হয় ন্যায্যদামে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে, হাটবাজার ও এলাকায় গিয়ে এসব বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিহালি লাল ডিম বিক্রি করা হচ্ছে ২৬ টাকায়। প্রতিলিটার দুধ ৬০ টাকায় এবং গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছে ৫০০টাকা কেজি দরে। সকাল থেকে চলছে ভ্রাম্যমান বিক্রির কার্যক্রম।


সরেজমিনে ভবানীগঞ্জ, তাহেরপুর ও মচমইল এলাকা ঘুরে ভ্রাম্যমান দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করতে দেখা যায়। ট্রাক ও ইজিবাইকে করে বিক্রি করা হচ্ছে এসব। ক্রেতাদেরও ভীড় ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। গতকাল দুপুরে ভবানীগঞ্জ নিউমার্কেট এলাকায় ভ্রাম্যমান বিক্রিয়কেন্দ্রে ক্রেতাদের যথেষ্ট ভীড় চোখে পড়ে। স্বয়ং প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে ট্রাকে থেকে বিক্রি কার্যক্রম তদারকি ও সহায়তা করতে দেখা যায়।


তরমুজ নয় কলা কেজিতে বিক্রি চলছে



স্টাফ রিপোর্টারঃ

আজ ২ ই এপ্রিল রোজ রবিবার রাজশাহী জেলা বাগমারা থানাধীন মচমইল বাজারে  কলা কেজি তে বিক্রিয় করছে একজন কলা বিক্রেতা। সারাদেশে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য দাম বৃদ্ধি র সাথে  নিত্য খাদ্য মৌসুমি ফল তরমুজ কলা আনারস পেঁপে বিক্রিয় হতো পিচ হিসাবে। 



করোনা পরিস্থিতি ও রোজার মাস উপেক্ষা করে তরমুজ, আনারস, পেঁপে এইগুলো পিচ হিসাবে না বিক্রি  হয়ে কেজিতে চড়ে বসেছে পেঁপে, কলা, আনারস,তরমুজ 

আজ মচমইল বাজার এমন একটি ঘটনা ঘটছে যা দেখে একজন ক্রেতা নিজে হতভাগ হয়েছে  তিনি একটি দোকানে কলার দাম শুনতে চেয়েছেন তাকে বলা হয়েছে  পিচ নয় কেজিতে বিক্রিয় করছে তারা বর্তমান সময়ে কলা যা ৮০ টাকা  প্রতি কেজি বিক্রি চলছে।


হাবিব ইসলাম তালেব

তিনি তার ফেসবুক আইডি



Habib Hassan Taleb

তে পোস্ট করেন,  কলার কেজি ৮০ আমি দেখেই  হতভাগ মচমইল বাজার, বাগমারা, রাজশাহী