সর্বশেষ খবর

অসহায় মানুষের পাশে ( Hepling Hand for Humanity) ফাউন্ডেশন | বাগমারা-টাইমস



স্টাফ রিপোর্টসঃ

পাশে আছি( Hepling Hand for Humanity)   ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নব উদ্দেগ।

মানুষ মানুষের  জন্যে। তেমনি মানুষের দুঃখ কষ্ট দেখে একদল কিশোর মানুষের পাশে দাড়ানো এজন্য একটি ফাউন্ডেশন খুলেন। ফাউন্ডেশনের নাম দেন পাশে আছি( Hepling Hand for Humanity)।


তাদের নব উদ্দেগে তাহেরপুর, সরগাছি, আনুলিয়া ইত্যাদি গ্রামের ৫০ টি পরিবারে মুদি  ঈদ সামগ্রী  বিতরন  করে। তাদের মুদি ঈদ সামগ্রী  পরিবারগুলো।হয়।



ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ  হলো।সিয়াম সৈকত, আলভি, নাফিজ, মাহিন, রিদয়, সামি, শাইক,অভি,মাহফুজ। ফাউন্ডেশনের নাম বিষয়ে বলে যে গরীব মানুষের পাশে দাড়ানো জন্য  এই নাম দেওয়া হয়েছে। তারা আরও বলে যে, এই উদ্দেগ শুরু করেছে। ভবিষ্যতে চলমান থাকবে।


সুশিল সমাজে মানুষরা তাদের উদ্দেগকে সাধুবাদ  জানান। তাদের উদ্দেগ চলমান রাখার অনুরোধ  জানান।

মিরাক্কেলে পারফর্মার অব দ্য ডে বাংলাদেশর 'রিমন' | বাগমারা টাইমস

 


অফিয়াল ডেক্সঃ

কলকাতার জি-বাংলা চ্যানেল এর জনপ্রিয় কমেডি রিয়েলিটি শো ‘মীরাক্কেল-১০ এর মঞ্চে প্রথমবার পারফরম্যান্স করেই নজর কেড়েছিলেন বাংলাদেশের সিলেটের ছেলে আবিদুল ইসলাম রিমন। এবার একের পর এক দুর্দান্ত পারফমেন্স করে চলমান মীরাক্কেল সিজন-১০ এ টানা দুবার রসিকরত্ন খেতাবসহ সিজন ১০ এ প্রথম বাংলাদেশী প্রতিযোগী হিসেবে জিতে নিয়েছেন পারফর্মার অব দ্য ডে।

মীরাক্কেলে বাংলাদেশের কমেডির নতুন সেনসেশন আবিদুল ইসলাম রিমনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে আলোচনা। অনেকে তার বলা জোকসের সাথে লিপসিং করে টিকটকে ভিডিও তৈরি করছেন। তবে প্রথম বাংলাদেশি  হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করে ঘরের ছেলে কমেডির সেরা মঞ্চ মীরাক্কেলে ১০ এ বাংলাদেশের হয়ে পারফর্ম করতে দেখে, রিমনকে নিয়ে একটু বেশী উচ্ছ্বসিত পুরো দেশ সহ প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা সিলেট।

সিলেট বাসিরা বলেন রিমন বাংলাদেশের জন্য গর্ব।


বাগমারায় দুইটি পৃথক ঘটনায় চার জন কারাগারে


 


স্টাফ রিপোর্টারঃ


রাজশাহীর বাগমারায় স্ত্রীকে গলাটিপে ও সাত বছরের শিশুকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার ১ মার্চ, দুপুরে দুটি মামলায় মোট চার আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।


এরা হলো গৃহবধূ সাবিনা ইয়াসমিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্বামী সোহাগ হোসেন (১৭), তার মা রুপালী বেগম (৩৫), শিশু মারুফ হাসান হত্যা মামলার আসামি বাবা শাহাজাহান আলী (৪৫) ও সৎ মা মুক্তা বেগম (২৫)। তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।



গতকাল শুক্রবার রাতে গৃহবধূ সাবিনা ইয়াসমিনকে হত্যার অভিযোগ তার মা ছামেনা বিবি বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবিনার স্বামী, শাশুড়ি, মামা ও নানা শ্বশুরকে আসামি করা হয়েছে। যৌতুকের কারণে গলাটিপে হত্যার পর লাশ ঘরের মধ্যে ফেলে রাখা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মুঠোফোনে প্রেমের পর দেড়মাস আগে চানপাড়া গ্রামের সোহাগ হোসেনের সঙ্গে ও মাঝগ্রামের সাবিনা ইয়াসমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সোহাগ হোসেন স্ত্রীকে নিয়ে চানপাড়ায় নানার বাড়িতে থাকতো।


অপর দিকে শিশু মারুফ হাসানকে হত্যার অভিযোগে তার বাবা ও সৎ মাকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন শিশুর মা মারুফা বেগম।


এর আগে এই ঘটনার সর্ম্পকে জানার জন্য পুলিশ শিশুর বাবা, সৎ মা ও দুই চাচাকে থানায় নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুই চাচাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও বাবা শাহাজাহান আলী (৪৫)  ও সৎ মা মুক্তা বেগমকে (২৫) গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।


নিহত মারুফ হাসান উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রামের শাহাজাহান আলীর দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে। তার মায়ের সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর সৎ মায়ের সঙ্গে থাকতো সে।


শুক্রবার দুপুরে বাগমারা থানার পুলিশ উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রাম থেকে কাফনের কাপড়ে মোড়ানো শিশু মারুফ হাসানের লাশ উদ্ধার করে। শিশু মারুফ হাসানকে জীনে মেরে ফেলেছে বলে প্রচার করা হয়। দ্রুত লাশ দাফনের ব্যবস্থা করেন বাবা ও সৎ মা। লোকজনও জানাজায় আসেন। খবর পেয়ে শিশুর আসল মা (বাবার সাথে ছাড়াছাড়ির পর অন্যত্র বসবাস করেন) আসলে বিপত্তি বাধে। তিনি ছেলে মারুফ হাসানকে হত্যার অভিযোগ তুলেন। পরে পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তারা লাশের সঙ্গে শিশুর বাবা, সৎ মা ও দুই চাচাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।


মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সৈবুর রহমান বলেন, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সৎ মা মুক্তা বেগম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। স্বামীর সহযোগিতায় শুক্রবার ভোর রাতে বালিশ চাপা দিয়ে শিশু মারুফ হাসানকে মেরে ফেলা হয়েছে। শিশু মারুফ হাসান দুষ্টুমি করে এটা মানতে পারছিলেন না। এসব ক্ষোভ থেকে শিশুকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।


বাগমারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসেন বলেন, এসপি মহোদয়ের নির্দেশে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (সদর সার্কেল) সহযোগিতায় অতি অল্প সময়ের মধ্যে দুই হত্যা মামলার মোটিভ উদ্ধার ও মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

ঝড়ের সময় বিদ্যুৎ কেন চলে যায়? আসুন সঠিক তথ্য জেনে নেই। | বাগমারা-টাইমস

 


অফিসিয়াল ডেক্সঃ

আর সবার মতো একসময় আমারও ধারণা ছিলো,  ঝড়ে বিদ্যুৎ এর তার ছিড়ে গেলে যদি বিদ্যুৎ বন্ধ না করা হয় তাহলে ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, এই জন্য সতর্কতা অবলম্বন করে বিদ্যুৎ এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়

ভুল!!  ভুল ধারণা !!

আবার অনেক সময় দেখা যায়, এই বিদ্যুৎ যাচ্ছে, এই আসছে। মিনিটে কয়েকবার আসে যায়। 

আমরা গালি দেই, দূর!! একটা তামাশা শুরু করছে

আপনি ভাবতেছেন এটা ইচ্ছা করে কেউ করছে? শতভাগ ভুল কিছু ভাবছেন তাহলে। 

তাহলে ব্যাপার টা কি??

আসুন একটু ব্যাপার টা খুব সহজ করে বুঝে নিই।

বিদ্যুৎ যে যায়গা থেকে বিতরন করা হয়, এটাকে উপকেন্দ্র (সাব স্টেশন) বলে। এই উপকেন্দ্রের ভিতর একটা খুব বড়সড় রুমে আলমারির মতো বড়সড় মেশিন থাকে। এগুলো কে ফিডার বলে।

এক একটা ফিডার এক একটা এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণের কাজ করে। এই ফিডার অফ, মানে ঐ এলাকায় বিদ্যুৎ অফ।

এখন আসুন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণ খুজি আপনার বাসায় বিদ্যুৎ যে কারণে চলে যায়, সে কারণগুলো কে ফল্ট বলা হয়। 

আমাদের এখানে বা বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে কি কি ফল্ট হলে আপনার বাসায় বিদ্যুৎ চলে যায়??

অনেক কারণ হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ

১) বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে দেখবেন ৩ টা তার থাকে, এগুলো কে আমরা ফেইজ বলি। A, B, C ফেইজ। বাতাসের কারণে যদি এই ৩ টা ফেইজ কোন কারণে এক সাথে লেগে যায়, তাহলে আমাদের উপকেন্দ্রের ফিডার (মানে আপনার বাড়িতে বিদ্যুৎ যাওয়ার সুইচ) ফল্ট করে।

২) ঝড়ে বা বাতাসে গাছ ভেঙে ফেইজের উপর পড়লে বা একবার বাড়ি খেলেও আমাদের এখানে ফিডার ফল্ট করে 

৩) ট্রান্সফরমার এ সমস্যা হলেও ফল্ট করে। 

৪) কোন মানুষের হাতের স্পর্শ পেলেও ফল্ট করে 

এখন আসুন জেনে নিই ফল্ট করলে কি হয়। ফল্ট করার মানেই অটোমেটিক বিদ্যুৎ অফ হয়ে যাবে। আমাদের হাতে কোন শক্তি ই নেই অফ রোধ করার।  

মনে করেন ২০ কিমি দূরে গাছের ডাল বাতাসের কারণে তার এ বারি মারছে, অটো বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যাবে।

ঝড়ের সময় ক্রমগত বাতাসের কারণে একটি তারের সঙ্গে আরেকটি তার সংস্পর্শে আসে। তাই ঝড়ের সময় কারেন্ট রাখা সম্ভব হয়না।

ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে তার ছিড়ে গেছে? মিলি সেকেন্ড এ বিদ্যুৎ লাইন অফ হয়ে যাবে।  

তার না লাগানো পর্যন্ত আমরা ইচ্ছা করলেও লাইন চালু হবে না। কোনভাবেই না।

তাহলে মিনিটে কয়েকবার বিদ্যুৎ আসে যায় কেন?

বাতাসে বাড়ি মারে, অফ হয়ে যায়,  আমরা চালু করি, আবার বাড়ি মারে, অফ হয়। এই জন্য ই তারের আশেপাশে থাকা গাছের ডাল নির্দয় ভাবে কেটে ফেলা হয়

কারণ ডাল সংস্পর্শে আসলে কোনভাবেই বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখা যাবে না......।

আর একটা কথা, এটা আমাদের বাসার সুইচ না যে আমাদের ইচ্ছায় বন্ধ করবো বা চালু করবো । উপকেন্দ্রে যিনি থাকেন, তিনি কখনোই নিজের ইচ্ছায় বন্ধ করতে পারেন না, চালু করতেও পারেন না। যে সকল ফল্ট বললাম, এইগুলো হলে অটো বন্ধ হয়ে যায়, আর যদি ফল্ট না হয়, তাহলে মেরামতের কাজ বা নতুন লাইনের সংযোগ এর জন্য কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর অফিসার এর নির্দেশে বন্ধ হয়। কোথাও আগুন লাগলে বন্ধ হয়।

গ্রামে অনেক সময় ২/৩ দিন বিদ্যুৎ থাকে না কেন?

গ্রামের লাইন এতো চিপা চাপা দিয়ে যায় যে, অনেক সময় খুঁজেই পাওয়া যায় না ফল্ট কোথায়।

অফিসার তার টিম নিয়ে সারা এলাকা তন্নতন্ন করে খুজে বেড়ায়। তবুও খুজে পায় না।

তখন এমন হয়। মোটকথা ইচ্ছা করে বন্ধ হয় না।

লোড শেডিং কেন হয়?


হে, একমাত্র লোড শেডিং এর জন্য ইচ্ছা করে লাইন বন্ধ করা হয়।

 এটাও হয় একমাত্র প্রথম শ্রেণীর বা তার উপরের অফিসার এর নির্দেশে। এটাও ইচ্ছা করে করা হয় না। যখন লোড অনেক বেশী হয়ে যায়, Power Transformer লোড নিতে পারে না, তখনই কেবল কোন একটা ফিডার বন্ধ করে দেওয়া হয়।


দেড় যুগ ধরে বন্ধ রাজশাহী সদর হাসপাতাল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ


এক সময় রাজশাহীর মানুষের চিকিৎসার জন্য প্রধান ভরসা ছিল সদর হাসপাতাল। কিন্তু প্রায় দেড় যুগ ধরে সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিট পুরো হাসপাতালটি ‘দখল’ করে আছে। ফলে সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ ১৭ বছর ধরে।


এদিকে সদর হাসপাতাল বন্ধ থাকায় সমস্ত রোগীর চাপ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে। দেশের অন্তত ২০টি জেলার মানুষ এই হাসপাতালে সেবা নিচ্ছেন। সাধারণ রোগের পাশাপাশি চলছে করোনা রোগীদেরও চিকিৎসা। ফলে এই হাসপাতাল থেকেই দ্রুত করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় সদর হাসপাতাল চালুর দাবি উঠেছে।


 

রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, আমাদের এখানে সাধারণ রোগী ও করোনা রোগীর একসাথে চিকিৎসা করানো একটু কঠিন। এতে সাধারণ ওয়ার্ডেও করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার একটা আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এ জন্য করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা হাসপাতালের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। সেক্ষেত্রে সদর হাসপাতালও হতে পারে।


সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) জেলা সভাপতি আহমদ সফিউদ্দিন বলেন, করোনার এই ভয়াবহ সময়ে দেশের প্রায় ২০টি জেলা থেকে রোগীরা রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। এতে হাসপাতালে প্রচণ্ড চাপ তৈরী হচ্ছে। কাজেই অনতিবিলম্বে রাজশাহী সদর হাসপাতাল সরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হওয়া অত্যন্ত জরুরি।


নগরীর সিপাইপাড়া এলাকায় রাস্তার একপাশে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। আর অন্যপাশে সদর হাসপাতাল। এখন অবশ্য সদর হাসপাতালের কোন সাইনবোর্ডও নেই। সেখানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটের সাইনবোর্ড লাগানো আছে। ১৯০২ সালে এই হাসপাতাল ভবন প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৩৮ সালে হাসপাতালের দোতলা একটি ভবন নির্মাণ করা হয়।


রাজশাহী সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, পুরনো দোতলা ভবনের নিচতলায় রামেকের ডেন্টাল ইউনিটের চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে। দোতলায় রয়েছে শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আবাসন। পুরনো এই ভবনের পেছন দিকে ২০১২ সালে ডেন্টাল ইউনিটের জন্য আলাদা চারতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তারপরও ডেন্টাল ইউনিট সদর হাসপাতালের পুরনো ভবনেই আছে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এই হাসপাতালের জমিতেই এখন ভবন নির্মাণ করছে। অস্থায়ীভাবে সদর হাসপাতালের একটি ভবনে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যক্রম চালাতে চালাতে এখন সেখানেই পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।


সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠার পর এই হাসপাতালে জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথা ব্যাথাসহ অন্যান্য সাধারণ রোগের চিকিৎসা দেয়া হতো। ১৯৩৮ সালে সদর হাসপাতাল নামকরণ করা হয়। এরপর থেকে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারও শুরু হয়। ১৯৫৮ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপিত হয়। এরপর সদর হাসপাতালের বেশিরভাগ রোগের চিকিৎসা ওই হাসপাতালেই চালু হয়। সদর হাসপাতালে শুধু নাক, কান, গলা ও চোখের চিকিৎসা চলত। ১৯৮৯ সালে সদর হাসপাতালের নিচতলায় চলে আসে রামেকের ডেন্টাল ইউনিট। তারপরও দোতলায় সদর হাসপাতালের চিকিৎসা চলত। ২০০৪ সালে সদর হাসপাতালের নাক, কান, গলা ও চোখের চিকিৎসাও রামেক হাসপাতালে টেনে নেয়া হয়। ফলে তখন থেকেই সদর হাসপাতালের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। সদর হাসপাতালে এখন শুধু ডেন্টাল ইউনিট।


ইউনিটের প্রধান ডা. নাহিদ খুররম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের এখানে ইনডোর সুবিধা নেই। তবে আউটডোরে প্রতিদিন প্রায় শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। আর ইউনিটে এখন ৫ বছর মেয়াদী বিডিএস কোর্স চলছে। প্রতিবর্ষে ৬০ জন করে শিক্ষার্থী। আমরা পূর্ণাঙ্গ কলেজ হওয়ার সমস্ত যোগ্যতা রাখি। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কলেজ হচ্ছে না। সেটা হলে তো আমরা অন্যভাবে কাজ করতে পারতাম।


সদর হাসপাতাল চালুর জন্য রাজশাহীর জনপ্রতিনিধিরা বারবার চেষ্টা করেছেন। সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন গত বছরের নভেম্বরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেককে চিঠি দেন। এতে সদর হাসপাতাল চালুর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি দেন হাসপাতালটি চালু করার উদ্যোগ নেয়ার জন্য। গত ২ ডিসেম্বর দেয়া এই চিঠিতে বলা হয়, ‘স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি করোনা করোনাভাইরাস সংক্রমণসহ যে কোন মহামারী প্রতিরোধে পূর্বের ন্যায় রাজশাহী সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’ কিন্তু এরপর কোন অগ্রগতি হয়নি।


হাসপাতালটি চালু করতে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশাও কম চেষ্টা করেননি। তিনিও দৌড়াদৌড়ি করেছেন মন্ত্রণালয়-অধিদপ্তরে। সংসদে কথা বলেছেন একাধিকবার। এমপি বাদশা বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা এখনও সদর হাসপাতাল চালু করতে পারলাম না। চিকিৎসকদের একটা অংশ চান না যে, ডেন্টাল ইউনিট পূর্ণাঙ্গ ডেন্টাল কলেজে রূপ পাক। আর সে কারণেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজের একটা শাখা হিসেবে ডেন্টাল ইউনিটকে সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এতে সদর হাসপাতাল চালু জটিল হচ্ছে।’


এদিকে সদর হাসপাতালটিকে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করার দাবি তুলেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাজশাহী মহানগর কমিটি। গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু ও সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ প্রামানিক দেবু স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।


বিবৃতিতে ‘বিকল্প’ কোভিড হাসাপাতালের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘রাজশাহীতে করোনা সংক্রমণ যেভাবে ছড়িয়েছে; তা খুব সহজে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন। কোভিডের এমন দুঃসময়ে বিভাগের সবকটি জেলা থেকে রামেক হাসপাতালে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা নিতে আসছেন। রোগীর সংখ্যা বাড়ায় হাসপাতালেও তৈরি হচ্ছে প্রচণ্ড চাপ। এ চাপ সামাল দিতে এখনই হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতে আমরা যদি স্বাস্থ্যসেবার জন্য ‘বিকল্প’ চিন্তা না করে শুধুমাত্র রামেক হাসপাতালের ওপর ভর করি, তবে তা আগামীর বিপদকে ত্বরান্বিত করা ছাড়া কিছুই নয়।’


বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তাদের জায়গা ও জনবল বিবেচনায় সাধারণ রোগীদের জন্যই বেশিরভাগ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি তারা করোনার চিকিৎসা চালাচ্ছেন। একটি হাসপাতালে সাধারণ রোগী ও করোনা রোগীকে একসাথে রেখে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করানো আশঙ্কাজনক। এতে সাধারণ ওয়ার্ডেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা আছে। সুতরাং এমন নাজুক পরিস্থিতিতে রাজশাহীকে বাঁচাতে হলে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা হাসপাতালের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। সেক্ষেত্রে রাজশাহী সদর হাসপাতাল একদম যথাযথ।’


সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আগামীর ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে হলে এই সিদ্ধান্ত দ্রুত গ্রহণের কোন বিকল্প নেই। সিদ্ধান্তে কালক্ষেপণের খেসারত বর্তমানে পার্শ্ববর্তী অনেক দেশকে দিতে হচ্ছে। আমরা মনে করি, রাজশাহী সদর হাসপাতালকে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করলে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।’


বিবৃতিতে এ দাবি বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে নিয়ে রাস্তায় আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. কাইয়ুম তালুকদার বলেন, ‘বিভাগীয় শহর হলেও এখানে সদর হাসপাতাল থেকেও না থাকাটা দুঃখজনক। আমরা এতটুকু বলতে পারি যে সদর হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এর চেয়ে এখন বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।’

আএাই যুবলীগের উদ্যোগে কৃষকের ধান কাটাই ও মাড়াই






স্টাফ রিপোর্টার ঃ

সারা পৃথিবী যখন করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ তখন বাংলাদেশে চলছে লগডাউন তার ফলে ইরি বোরো ধান পাকতে শুরু হয়েছে  কৃষকের জমিতে ধান কাটা ও মাড়াই জন্য শ্রমিক প্রয়োজন লগডাউন করোনা পরিস্থিতি কারণে মুল্যত অনেক কৃষক দিশেহারা শ্রমিক নেই এই সংকট মোকাবিলায় লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ যুবলীগ ছাএলীগ ও সেবামুলক কিছু সংস্থা


 

চলতি মৌসুমে ইরি বোরো ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়েছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে নওগাঁ আত্রাই উপজেলায়। 


যুবলীগের উদ্যোগে অসহায় কৃষকদের ধান কাটা-মাড়াই  কাজ করছে স্থানীয় যুবলীগ নেতাকমীরা কৃষকের ধান কেটে দিতে যুবলীগের ৬০ কমিটির একটি দল আজ মাঠে নেমেছেন  ধান কাটা ও মাড়াই উদ্দেশে।জমির পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দেন যুবলীগ কর্মীরা।



আত্রাই উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোঃ হাফিজুল এর নেতৃত্বে  সাহেবগঞ্জ হেলিপ্যাড মাঠ কৃষক আব্দুর  রহিম এর ১ বিঘা জমির ধান কেটে ও মাড়াই কাজ করেন যুবলীগ নেতারা।  





এই সময় উপস্থিত ছিলেন আএাই  উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোঃ হাফিজুল ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রাফিউল ইসলাম রাফি, সহ-সভাপতি  উত্তম কুমার সাহা,  সহ-সভাপতি শওকত হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক তাপস কুমার পাল,  পাচুঁপুর ইউনিয়ন যুবলীগের  সাধারন সম্পাদক উজ্জল হোসেন, প্রচার সম্পাদক বিশ্বজিৎ সরকার,  ভোপাড়াঁ ইউনিয়ন  আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি জালাল উদ্দিন টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আকুন্দ  সহ থানা যুবলীগ সহ সকল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতৃবৃন্দ  ধান কাটা ও মাড়াই কাজে অংশগ্রহণ  করেন।

মন খারাপ থাকলে কী করবেন? | বাগমারা-টাইমস



স্বাস্থ্য কথাঃ

সুখের পাশপাশি দুঃখও জীবনের অংশ। কিন্তু যদি মন খারাপ থাকে, সেক্ষেত্রে কি কিছু করার নেই?

মন খারাপ থাকলে যা করতে পারেন:

১। সহানুভূতিশীল বন্ধু ও আত্মীয়দের সঙ্গে বেশি সময় কাটান। সহানুভূতিশীল মানুষ অন্যের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনে।


নিজের খারাপ লাগার কথাটি খুলে বলতে পারলে, অনেক সময় মন হালকা হয়।

২। সাধ্যের অতিরিক্ত চাপ নিতে যাবেন না। অতিরিক্ত কাজের চাপ মন ও শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।

সে কারণেও মন খারাপ হতে পারে। কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নিতে ভুলবেন না।

৩। যেসব কাজ আপনাকে আনন্দ দেয়, মন খারাপের সময় সেসব কাজ বেশি করে করুন। আনন্দের কাজটিও করতে ‘ভালো লাগছে না’ মনে হলেও, এক পর্যায়ে দেখবেন ভালো লাগতে শুরু করেছে। ছোটবেলার প্রিয় বইটি পড়ুন, পছন্দের মুভি দেখুন, রান্না করুন, পুরনো কোনো বন্ধুর সঙ্গে ফোনে গল্প করুন বা দেখা করুন, প্রকৃতির কাছাকাছি কোথাও ঘুরতে যান— খারাপ লাগা দূর করার জন্য যা করা দরকার তাই করুন।


৪। ঘর থেকে বের হোন। দূরে কোথাও যেতে হবে তা নয়। বাজার করা, শপিংয়ে যাওয়া বা একটু হাঁটার জন্য হলেও বের হোন। দিনের আলো, নরম রোদ, তাজা বাতাস গায়ে লাগলে, ব্যস্ত দিনের ক্লান্তি দূর হয়। অল্প সময়ের জন্য হালকা ব্যায়ামও করতে পারেন। বেশি না, ১৫-৩০ মিনিট হাঁটাও মন ও শরীরের জন্য বেশ উপকারী।



৫। নেগেটিভ চিন্তা করা বাদ দিন। মাথায় কোনো পজিটিভ চিন্তা আসছে না? আপনার জীবনে কী কী পজিটিভ ঘটনা ঘটেছে, তার একটি লিস্ট করুন। দেখবেন, মন ভালো লাগছে। নিজেকে বলুন, আপনি সব সময় খারাপ ছিলেন না। আবারও ভালো সময় আসবে।


৬। নিজের প্রতি ধৈর্যশীল হোন। খারাপ কিছু ঘটলে নিজেকে দোষারোপ করতে থাকা বা সেটি নিয়ে বার বার ভাবা বন্ধ করুন। আত্মসমালোচনা যেন আপনার মধ্যে নেগেটিভিটি না আনে।


৭। মন খারাপ থাকলে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। মন খারাপ থাকলে সাধারণত আমাদের আত্মবিশ্বাসও কমে যায়। এমন মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে খেয়াল করুন যৌক্তিক ও স্বাভাবিক চিন্তা করতে পারছেন কিনা।


৮। ভালো একটা ঘুম দিন। রাতে ভালো ঘুম না হলেও মন খারাপ হতে পারে। অনেক সময় মনে হয়, কারণ ছাড়াই খারাপ লাগছে। আসলে সবকিছুর পেছনেই কারণ থাকে। ভালো ঘুম হলে, শরীর ও মন ফ্রেশ লাগতে পারে।


৯। যদি প্রায়ই এবং দীর্ঘ সময় ধরে মন খারাপ থাকে তাহলে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হলে, কাউন্সেলিংও প্রয়োজন হতে পারে।